বিনয়ের ঈশ্বর প্রাপ্তি Bangla Bhuter Golpo (bhutgolpo.blogspot.com)
২ বছর আগের এক ঘটনা। পৌষমাসের শেষ রবিবার আমি বাইক নিয়ে বেড়িয়ে পড়েছিলাম একটু বেড়াতে। ইচ্ছা ছিলো আজ সারাটা দিন কাটাবো সুন্দরবনের একটা গ্রামে। এক বন্ধুর মুখে শুনেছিলাম ওই গ্রামে নাকি কোনো এক অদ্ভুত দেবতার পুজো উপলক্ষে মেলা হচ্ছে।
সুন্দরবন অতি বিচিত্র জায়গা। বিশেষ করে এখানকার এখানকার মানুষের ধর্ম বিশ্বাস। কতো রকমের বিচিত্র দেবদেবীর পুজোর চল যে এখানে রয়েছে তার ইয়াত্তা নেই। সঙ্গে রয়েছে সেইসব দেবদেবীদের অদ্ভুত এবং বিচিত্র কাহিনী। আমার ছোট থেকেই এইসব দেবদেবী নিয়ে বরাবরের আগ্রহ। অনুসন্ধান করতে করতে কতই যে অবিশ্বাস্য ঘটনা আমার চোখের সামনে এসেছে তা আর বলে শেষ করতে পারবো না। তাই এইসব খবর পেলেই ছুটে যাই.....
যখন মহেশপুর গ্রামে পৌছালাম তখন দুপুর। শীতের দিন হলেও নদীর নোনা জল,হাওয়ার জন্য এখানে দুপুরে বেশ গরম অনুভূত হয়। গায়ের জ্যাকেটটা খুলে একটা গাছের নিচে একটু বসলাম। দেখলাম গ্রামের মহিলারা হাতে পুজোর ডালা নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে চলেছে। একজনকে থামিয়ে জিজ্ঞাসা করতে শুনলাম,
"আজ বড়দা আর বড়বৌদির পুজো। তাই গ্রামে মেলা বসেছে। তারা পুজো দিতে যাচ্ছে। পুজো দিয়ে মেলা দেখে সন্ধ্যায় তারা বাড়ি ফিরবে।"
"বড়দা, বড়বৌদির পুজো?
মনে কেমন একটা শঙ্কা, প্রশ্ন হয়ে ঘুরপাক খেতে লাগলো। এ আবার কেমন দেবদেবী?
অদম্য কৌতূহল আমাকে চুপ করে বসে থাকতে দিলো না। উঠে পড়লাম....
যখন মেলা প্রাঙ্গনে পৌছালাম তখন চারিদিক ভিড়ে থিকথিক করছে। নানান রঙের পসরা সাজিয়ে বিভিন্ন দোকান লোক টানতে ব্যাস্ত। কচিকাঁচার হইহুল্লোড়ে মেলার রূপ-রসের পূর্ণতাকে জানান দিচ্ছে। একটু দূরে দেখলাম সদ্য যৌবনা কিছু ছেলে মেয়ে হাসিঠাট্টায় মেতে উঠেছে। মনটা বেশ ফুরফুরে হয়ে গেলো।
ভিড় ঠেলে এগিয়ে গেলাম মন্দিরের দিকে। একটু এগোতেই একটা বাড়িসম মন্দির চোখে পড়লো।
মনটা কেমন হতাশ হয়ে গেলো। আসলে নিজের মণিকোঠায় ওই বড়দা, বড়বৌদির মন্দিরের দৃশ্যপট কল্পনা করেছিলাম। সেটা যে আর পাঁচটা মন্দিরের মতো হবে সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এতো দেখছি পুরো একটা বাড়ি। ইটের দেওয়াল। মাথায় টিনের চাল।
দেখলাম ওই বাড়িসম মন্দিরের বারান্দায় এক পুরোহিত বসে আছেন। তাঁর সামনে বড় বড় ডালায় দেবদেবীকে উৎসর্গীকৃত প্রসাদ দেওয়া আছে।
অবাক হলাম প্রসাদের ওমন বৈচিত্র্য দেখে। কোথায় ফল, মিষ্টি? তার বদলে ডালায় শোভা পাচ্ছে ভাত, ডাল, মাছ, মাংস। এ কেমন পুজো পদ্ধতি?
বেশ কৌতুহলী হয়ে মন্দিরের ভেতরে উঁকি মারলাম।
আর ঠিক তখনই একরাশ বিস্ময় আমার চোখে-মুখে ঝাপটা দিয়ে যায়। এ কেমন দেবদেবী?
অনেকক্ষন ধরে পুরোহিত আমার দিকে তাকিয়ে ছিলেন। দেখলাম তিনি এবার আমাকে ডাকছেন।
হয়তো আমার চোখ-মুখের বিস্ময়ভাব তাঁর দৃষ্টি এড়াই নি।
মন্দিরে উঠে আমি প্রথমে ওই দেবদেবী আর পুরোহিতকে প্রণাম করলাম। তখনো আমার চোখে মুখে বিস্ময়। দেখলাম উনি আমাকে ইশারায় পাশে বসতে বললেন।
পাশে বসতেই উনি হেঁসে বললেন,
"বাবা অবাক হয়োনা। আমি তোমাকে একটা গল্প বলছি শোনো।"
পুরোহিত শুরু করেন,
"বহুবছর আগের কথা। তখন এই অঞ্চলে অতটা জনবসতি ছিলো না। অল্প কয়েক ঘরের বাস ছিলো।
এই মন্দিরটি ছিলো আমাদের গ্রামের মোড়লের নিজের বাড়ি। বাড়িতে ছিলো তার স্ত্রী আর অন্ধপুত্র বিনয়। বড় ভালো মানুষ ছিলেন ওই মড়োলমশাই। বলতে গেলে এই গ্রামের অভিভাবক। ওনার স্ত্রী ছিল সাক্ষাৎ জগৎজননী।
গ্রামের মানুষ সুখ-দুঃখে সবসময় ওঁদের পাশে পেতো। কারোর বিপদ হলে ওঁরা ছুটে যেতো। গ্রামের লোক ওদের ভালোবেসে বড়দা, বড়বৌদি বলে ডাকতো। তবে ভগবান সবার সব সুখ দেন না। ওঁদের ছেলেটা জন্মান্ধ হয়ে জন্মালো। সেই নিয়ে কম দুঃখ ছিলো না ওদের। অনেক পুজো-অর্চনা,মানত করে কোনো লাভ হলো না। শেষে বাধ্য হয়ে ছেলের অন্ধত্বকে ওঁরা ভবিতব্য বলেই মেনে নিয়েছিল।
বড়বৌদি ছিল চরম শিবভক্ত। তিনি কেবল বাবার পায়ে মাথা ঠুকে কাঁদতো।
ওঁদের অন্ধ ছেলে বিনয় প্রকৃতির নিয়মে বড় হয়ে উঠতে থাকে। তখন তার ৯ বছর বয়স। ছেলেটাও তাঁর মায়ের মত চরম শিবভক্ত ছিলো। সারাক্ষন তার মুখে ভোলেবাবার নাম ঘুরতো।
তখন শ্রাবনমাস। বাবা ভোলানাথের জন্মমাস। বিনয় বায়না ধরে ও তারকেশ্বর যাবে। বাবার মাথায় জল ঢালবে। কথাটা শুনে বড়দা, বড়বৌদি আঁতকে ওঠে। ছেলে বলে কি? এই সুন্দরবন থেকে ছেলে তারকেশ্বর যাবে? অতো দূর? পায়ে হেঁটে? একা?
যে অন্ধ ছেলে সামান্য একটু হাঁটতে গেলে বাবা-মায়ের সাহায্য লাগে, সে যাবে একাকী তারকেশ্বর?
বড়দা, বড়বৌদি ওকে নিষ্ফল বোঝাতে থাকে। কিন্তু বিনয় নাছোড়বান্দা। ও যাবেই।
শেষে বিনয়ের জেদের কাছে একপ্রকার বাধ্য হয়ে বড়দা, বড়বৌদি ওকে তারকেশ্বর যাওয়ার অনুমতি দেয়। ভেবেছিল সবই "সবই মহাকালের ইচ্ছা"!
শ্রাবনের এক সোমবারের সকালে বিনয় কাঁধে বাঁক নিয়ে বেড়িয়ে পড়ে তারকেশ্বরের পথে। কাঁদা মেঠো পথে হাতড়াতে হাতড়াতে এগোতে থাকে সে। এক পা চলে তো দুবার আছাড় খেয়ে পড়ে। তবু তার মনে এক অদ্ভুত প্রত্যয়। তারকেশ্বর সে যাবেই...
পথে লোক জিজ্ঞাসা করলে বলে,
"সে তারকেশ্বর যাচ্ছে! বাবার মাথায় জল দেবে।"
লোক হাসে বলে,
"বাবা! তুমি অন্ধ কিভাবে অতটা পথ যাবে? তাছাড়া তুমি যে উল্টো দিকে যাচ্ছ।"
উত্তরে বিনয় বলে,
"সে ঠিক দিকেই যাচ্ছে। বাবা যে তাকে পথ দেখিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।"
এইভাবে দুদিন দুরাত চলার পর বিনয় জঙ্গলের একদম মাঝখানে এসে পরে। এইদিকটা বড়ই ভয়ানক। লোকজন একদমই আসে না।চারিদিকে চোরা কাদায় ভর্তি। যাতে পড়লে দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু নিশ্চিত। তাছাড়া সুন্দরবনের আতংক বাঘের ভয় তো রয়েছেই।
বিনয় খেয়াল করে তার আশেপাশে হিংস্র জন্তু অনবরত ডেকে চলেছে। কিন্তু কোনো এক মায়াবী কারণে তার কাছে ঘেঁষতে পারছে না।
মুখে "বম ভোলে" রবে এগোতে থাকে সে...
হঠাৎ বিনয় একটা ডালে পা বেঁধে পড়ে যায়। আর সভয়ে আবিষ্কার করে সে চোরা কাদায় পড়ে গেছে।
প্রানপনে ওঠার চেষ্টা করতে থাকে সে। পারে না। পারে না সে উঠতে।যতই সে ছটফট করে ততই আরো ঢুকে যেতে থাকে। একসময় শুধু মুখটা সেই কাদার উপরে জেগে থাকে। সেটাও সম্ভব হতো না,যদি ওই বাবার মাথায় জল দেওয়ার বাঁক থাকতো। সেই বাঁক দুদিকে দুটো গাছের শেকড়ে আঁটকে বিনয়কে ভাসিয়ে রেখেছিলো। বিনয় সেই বাঁক আঁকড়ে কোনোমতে মুখটা উঁচু করে ছিলো। ওইভাবে পরে থাকা যায়, কিন্তু ওই মৃত্যুফাঁদ থেকে উদ্ধার পাওয়া যায় না।
এইভাবে তিনদিন,তিনরাত বিনয় ওখানে পরে থাকে।
এখন সে ক্লান্ত, অবসন্ন, মরণাপন্ন। খিদে, তৃষ্ণায় তার বুকের ছাতি ফেটে যাচ্ছে। তবু তার মুখে "বম ভোলে"
নাম।
চতুর্থ দিন সকালে পাতার খসখস শব্দ শুনে বিনয় একটু উৎসাহ বোধ করে। তবে কি কেউ এদিকে আসছে?
"ওখানে কে গো তুমি?"
এক অপরিচিত পুরুষ কন্ঠ শুনে বিনয় হকচকিয়ে যায়। এতো কষ্টের মধ্যেও সেই মানুষটির কথা বিনয়ের বড়ই মধুর, বড়ই সুরেলা শোনায়। মনটা কেমন যেন এক অদ্ভুত ভালোলাগা গ্রাস করে।
বিনয়কে কিছু বলতে হয় না। তার আগেই সেই অপরিচিত মানুষটি তাকে টেনে তোলে।
"বাবা! আগে তুমি একটু দুধ খাও!"
বলে একটা দুধের বাটি বিনয়ের মুখে ধরে সেই রহস্যময় পুরুষটি।
ক্লান্ত, অবসন্ন বিনয় দুধটুকু খেতেই সম্পূর্ণ সুস্থ বোধ করে।
লোকটা জাদুকর নাকি?
নিজের মনে একান্তে চিন্তা করতে থাকে বিনয়।
এরপর লোকটার সাথে অনেক কথা হয় বিনয়ের, কেন সে এখানে পড়ে। কোথায় সে যাচ্ছিল। সবকিছু গুছিয়ে বলে বিনয় লোকটিকে।
বিনয়ের শেষ হলে,লোকটি হেসে জিজ্ঞাসা,
"তা বাবা! তুমি তারকেশ্বর গিয়ে কি করতে?"
উত্তরে বিনয় বলে ওঠে,
"আমি ভগবানকে দেখতে চাই। আমি জানি তারকেশ্বর গেলেই আমার চোখ ঠিক হয়ে যাবে। আর চোখ ঠিক হলেই প্রথমে আমি ভগবানকে দেখবো। আমার প্রথম দৃষ্টি দিয়ে তাকে ছাড়া অন্য কাউকে দেখবই না। তাকে দেখার ইচ্ছাটাই আমাকে তারকেশ্বর টেনে নিয়ে যাচ্ছিল।"
হো হো করে সেই রহস্যময় পুরুষটি হেসে ওঠে। বলে,
"আচ্ছা বিনয়! তুমি ভগবানকে দেখবে তো? আমি তোমাকে দেখাবো। কিন্তু তার জন্য তোমাকে যে তোমার বাড়ি ফিরতে হবে। সেখানেই তুমি তোমার ঈশ্বরকে দেখতে পাবে। আমি কথা দিচ্ছি, তোমার প্রথম দৃষ্টি কেবল তোমার ভগবানকেই দেখাবে।"
"কিন্তু আমি তো অন্ধ। কিভাবে দেখবো ঈশ্বরকে? তাছাড়া বাড়িতে কেন?"
বিনয় একটু রেগেই জিজ্ঞাসা করে।
"সে দায়িত্ব আমার বিনয়। তুমি শুধু আমার সাথে চলো। তোমার পিতা-মাতা বড়ই চিন্তায় আছে যে"!
লোকটা বিনয়ের একটা হাত ধরে এগিয়ে চলে।
বিনয় মন্ত্রমুগ্ধের মতো তাঁর পিছু নেয়। লোকটার কথা যে তাকে সম্মোহিত করেছে।
বিনয় যখন বাড়ি পৌঁছায় তখন সবে সন্ধ্যা হয়েছে।
শ্রাবনের আকাশ মেঘে কালো হয়ে রয়েছে। একটু পরেই বৃষ্টি শুরু হবে। দূরে মাঝেমাঝে বিদ্যুতের ঝলক দেখা যাচ্ছে।
নিজের ঠাকুরঘরে বসে হাপুস নয়নে কেঁদে চলেছে বিনয়ের মা। ঘনঘন বাবা ভোলানাথের পায়ে মাথা ঠুকছেন। ছেলেটা বেড়িয়ে যাওয়ার পর একবিন্দুও জলস্পর্শ করে নি এই হতভাগীনি। বিনয়ের বাবাও নিজের স্ত্রীর পাশে বসে নিঃশব্দে কেঁদে চলেছে।
"মা, বাবা দেখো আমি ফিরে এসেছি"!
নিজের পুত্র বিনয়ের ডাক শুনে সস্ত্রীক বাইরে ছুটে আসে মড়োলোমশাই।
অবাক হয়ে দেখে বিনয় বাইরে দাঁড়িয়ে।
"মা-বাবা জানো! আমার পাশে যে দাদা দাঁড়িয়ে আছে ওই দাদা আমাকে বলেছে আমাদের বাড়িতে নাকি ভগবান আছেন। এই দাদা আমাকে দেখাবে।
তাই তো ওর হাত ধরে তারকেশ্বর না গিয়ে সোজা বাড়ি চলে এলাম।"
সস্ত্রীক মোড়ল অবাক হয়ে দেখে বিনয়ের পাশে কেউ নেই। শুন্য।
হঠাৎ খুব কাছেই প্রচন্ড জোরে বর্জ্রপাতের শব্দে সবার কানে তালা লেগে যায়।
বিনয় কানে হাত দিয়ে মাটিতে বসে পরে।
কান খুলতেই বিনয় বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যায়। সে যে দেখতে পাচ্ছে। সবকিছু পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছে। সবকিছু।
ওই তো এখন তার সামনে একজন পুরুষ, আর একজন নারী দাঁড়িয়ে। গলা শুনে বিনয়ের বুঝতে অসুবিধা হয় না ওরা ওর পিতামাতা।
বিনয়ের চোখে এখন জল। ওই লোকটার কথা এখন সে পরিষ্কার বুঝতে পেরেছে যে। "পিতামাতার চেয়ে বড়ো ভগবান আর কে আছে"?
তাই তো তিনি বিনয়ের প্রথম দৃষ্টি দিয়ে ঈশ্বর দেখিয়ে দিলেন।
বিনয় পাশে সেই রহস্যময় মানুষটিকে খুঁজতে চায়, কিন্তু পায় না। কেবল কাদায় একজোড়া পায়ের ছাপ তার আগমনের প্রমান হিসাবে তিনি রেখে গেছেন।
একছুটে গিয়ে বাবা-মা রুপী ভগবানের পায়ে আছড়ে পড়ে বিনয়। তার অশ্রুধারায় মড়োলোমশাই আর তার স্ত্রীর পা সিক্ত হতে থাকে।
সেই থেকে বিনয় নিজের বাবা মাকে দেবতা জ্ঞানে পুজো করে আসছে। পরে মড়োলোমশাই আর তার স্ত্রী গত হতে বিনয় এই মন্দির স্থাপন করে। পৌষমাসের শেষ রবিবার নিজের বাবা-মায়ের প্রতিকৃতি ঠাকুর হিসাবে এই মন্দিরে বসায়।
সেই শুরু। তারপর থেকে প্রতিবছর বড়দা, আর বড়বৌদির পুজো হয়ে আসছে এই গ্রামে...
পুরোহিতের কথা শেষ হয় না। আমার মন তখন চঞ্চল। পুরোহিতের কথা আর কানে ঢোকে না।
সত্যি জীবনের সবথেকে বড়ো একটা শিক্ষা আমি আজ পেলাম।
"পিতা-মাতার থেকে বড় ভগবান হয় না।"
মন তখন অশান্ত। সত্যি বিচিত্র এই দেশ ভারতবর্ষ। কতটুকুই বা জানি আমরা। শ্রবনের মতো পিতৃ-মাতৃ ভক্ত ছেলেরা যে কেবল গঙ্গাসাগরের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই সেটা আবারও বিনয় প্রমান করলো। ওরা যে দেশের প্রতিটি কোনায় ছড়িয়ে রয়েছে।
আমি তখনও সেই সস্ত্রীক মড়োলোমশাই এর মূর্তির দিকে অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে....
(সমাপ্ত)
(ফিরে আসার সময় পকেট থেকে মোবাইল বের করে ফটো তুলতে গিয়েছিলাম, কিন্তু পুরোহিতমশাই বাঁধা দিয়ে বললেন,
"ঈশ্বরকে কি ছবিতে বন্দি করে রাখা যায় বাবা?"
মুহুর্তে ফোনটা পকেটে ঢুকিয়ে রাখি। পুরোহিতের ইঙ্গিতটা বুঝতে বিন্দুমাত্র অসুবিধা হয় নি আমার)
website : BhutGolpo
website link : https://bhutgolpo.blogspot.com
Keywords
Horror Story
Bangla Horror Story
Bengali Horror Story
Horror Story in Bangla
Horror Story in Bengali
Bhut Golpo
Bangla Bhut Golpo
Bengali Bhut Golpo
Bhut Golpo in Bangla
Bhut Golpo in Bengali
Bhuter Golpo
Bangla Bhuter Golpo
Bengali Bhuter Golpo
Bhuter Golpo in Bangla
Bhuter Golpo in Bengali
Bhoot Golpo
Bangla Bhoot Golpo
Bengali Bhoot Golpo
Bhoot Golpo in Bangla
Bhoot Golpo in Bengali
Bhooter Golpo
Bangla Bhooter Golpo
Bengali Bhooter Golpo
Bhooter Golpo in Bangla
Bhooter Golpo in Bengali
Vut Kahini
Bangla Vut Kahini
Bengali Vut Kahini
Vut Kahini in Bangla
Vut Kahini in Bengali
ভূত গল্প
ভুতের গল্প
ভুতের কাহিনী
ভয়ানক অলৌকিক ঘটনা
পিশাচের গল্প
শাকচুন্নির গল্প
রাক্ষসের গল্প
ডাইনির গল্প

0 Comments