Header Ads Widget

কল্পনা"প্রসূত

কল্পনা"প্রসূত Bangla Bhuter Golpo (bhutgolpo.blogspot.com)






#গল্প

কল্পনা"প্রসূত"



শুনুন না, খুব বিপদে পড়ে আজ আপনাদের কাছে এসেছি। আপনাদের সাহায্য ছাড়া উপায় নেই বলেই আসা, নয়তো আমি সাধারণত হেল্প-টেল্প চাই না কারোর থেকে। আমার নাম অন্তরা মুখার্জী। বাড়ি বর্ধমান, চাকরিসূত্রে ধূপগুড়িতে থাকি। বেশি গৌরচন্দ্রিকা করব না, তাতে আপনারা বিরক্ত হয়ে হয়ত পুরো লেখাটাই পড়বেন না, কিন্তু তাহলে আমার বড় অসুবিধে হয়ে যাবে জানেন তো। 
আসলে হয়েছে কী, এই চার-পাঁচ মাস আগে আগে রাতের বেলা সৌম্যর সাথে চ্যাট করছিলাম, সৌম্য আমার ছোটবেলার বন্ধু৷ তো তেনার আবার সদ্য সদ্য ব্রেক আপ হয়েছে। ভদ্রলোক নেহাতই মুহ্যমান অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।বন্ধু হওয়ার খাতিরে তাকে বোঝাচ্ছিলাম "এখানেই জীবন শেষ নয়, তুই অনেক বেশি ভালো মানুষ ডিসার্ভ করিস, রাস্তার কাঁচে হাত কেটে গিয়েছে বলে ছুঁতে ভয় পেলে হীরে পাওনা থাকলেও সেটা জুটবে না ইত্যাদি প্রভৃতি" যেরকম সবাই বুঝিয়ে থাকে। আমি এবার এ কেসে আলাদা লেভেলের ক্যাপা রাখি। এবার সেই বন্ধু নাছোড়বান্দা, তো তাকে বোঝাতে আমি মাতা বাকসিদ্ধ অন্তরা শাস্ত্রীটাইপের রূপ ধারণ করিয়া বলিতে শুরু করিলাম যে, অদূর ভবিষ্যতে তার জীবনে এক অসামান্য নারীরত্নের আবির্ভাব ঘটবে। তিনি ক্রিকেট খেলেন, বিরিয়ানি রাঁধেন, গজল গান, কেউ বজ্জাতি করতে আসলে তাকে উদমা ক্যালান, প্রায়ই ফ্যাঁচ ফ্যাঁচ করে কাঁদেন, প্রচুর বই পড়েন, ক্রাইম সিরিজের পোকা মানে আমার বন্ধুটির যা যা ভালো লাগে সেসব ব্যাপার মিলিয়ে মিশিয়ে সে এক জগঝম্প ব্যাপার বানিয়েছি একেবারে। আমি আবার টুকটাক লিখি-টিখি তো, তাই নেহাত খাজা দাঁড়ায় নি ব্যাপারটা। ভদ্রমহিলার নাম দিয়েছি মনোরঞ্জিনী, মানে গল্প তো পুরোটাই মনে রঞ্জিত তাই সেই লেভেলের নামও দিয়েছি একপিস, আর ব্যাকস্টোরি চেয়েছিল মালটা। দিয়েছি৷ বাড়িতে সবাই ছেলে আকাঙ্ক্ষা করেছিল, অবাঞ্চিত সন্তান, মেয়েটি আজীবন চেষ্টা করে গিয়েছে ছেলের ঘাটতিপূরণের, একটি ফেক আইডি আছে, নাম চিত্রাঙ্গদা। সেখান থেকে আমার বন্ধুর সাথে টোটো থেকে নামতে গিয়ে ধাক্কা লাগবে, সেখান থেকে বাওয়াল তারপর ব্লা ব্লা। এসব শুনে আমার সেই বন্ধু বল্ল, "হ্যাঁ রে, তুই লিখিস না কেন ভাই, এত উচ্চমার্গের ল্যাদ কেন, চ্যাটে গল্প বানাবি অথচ লিখবি না" বাকি লেখার অযোগ্য তৎসম শব্দ আর ব্যবহার করলাম না, আপনারা বুদ্ধিমান। এরপর নিজের গল্প নিয়ে নিজেরাই খ্যাঁক খ্যাঁক করে খিল্লি-টিল্লি করে ফোন-টোন রেখে ঘুমিয়ে গিয়েছি। 

পরেরদিন অফিস থেকে ফিরছি অটোতে, কনফারেন্স কল চলছিল, হঠাৎ ঘাড়ে টোকা পড়তেই দেখি, পাশে বসা মিষ্টি দেখতে মেয়েটা, ডাকছে। ফোন রাখতেই বলে উঠল, " সরি, আসলে তোমার শেডিউল অনু্যায়ী এখন আমার ক্রিকেট কোচিং তো, নেমে যেতে হবে, তাই ডেকে ফেল্লাম, বার্থডে উইশ করলে না তো? আমি মনোরঞ্জিনী, বাই দ্য ওয়ে, তুমি ভেবেছ বলে আমি হয়েছি সো টেকনিক্যালি তুমি আমার মা, বাট দ্যাট সাউন্ডস সো মেলোড্রামাটিক ইন দিস সিনারিও, লেম্মি কল ইউ মুমু "বলে নেমে চলে গেল। আমি ভ্যাবলার মত বসে রইলাম, মানে কী হল কেসটা? দাবিটা কী? এটা কী ছিল। হঠাৎ মাথায় হাজার ভোল্টের স্পার্ক খেলে গেল, সঙ্গে সঙ্গে সৌম্যকে ফোন করে উত্তাল গালাগাল দিলাম, স্বাভাবিক না? আপনারাই বলুন না!! শালা, আমি মাল তোর ব্রেক আপ কী করে সুখী দাম্পত্য জীবনে টার্ন নেয় সেসবের জন্য গল্প বানিয়ে বানিয়ে তোকে বুস্ট করছি আর বাল তুই আমার উপরই প্র‍্যাঙ্ক প্ল্যান করছিস, বহুত মটকা গরম হয়ে গিয়েছিল। হাউমাউ করে কিইসব বলতে চেয়েছিল, ও কিছু করে নি, ও নিজেই হাফসোল খেয়ে আছে, এই সেই। কিন্তু সেসবে কান দিলে চলে? এ শিক্ষা তো এপ্রিল ফুলে লোককে টুপি পড়ানোর সময় থেকেই আত্মস্থ করেছি। হুলিয়ে খিস্তি মেরে জাস্ট ব্লক করে দিলাম মালটাকে, মাথা ঠাণ্ডা হলে দেখা যাবে। 

এরপর, একসপ্তাহ পেরিয়ে গিয়েছে, ভুলেও গিয়েছি এসব কাণ্ড-কারখানা৷ হঠাৎ করে খবর এল, সুচন্দ্রা আর নেই৷ সুচন্দ্রা আমার বেস্ট ফ্রেণ্ড, ফ্রেণ্ড শুধু নয় ফ্যামিলিও, আমার বাবা আমার জন্য একজোড়া মোজা কিনলে ওর জন্যও কিনতে ভোলে নি কখনো। সেই মেয়েটা আর নেই, আর নেই মানে? নেই মানে কী হয়, আমার মাথা গুলিয়ে যাচ্ছিল, এমন সময় ফোন বাজল, রিসিভ করে কানে নিতেই একটা মিষ্টি শান্ত গলা ভেসে এল, "মুমু, তুমি আমায় নিয়ে ভাবা কেন ছেড়ে দিলে বলো? তোমার ব্রেন তোমার চিন্তা তোমার ভাবনা তো আমার খাবার তাই না? মা হয়ে সন্তানকে অভুক্ত রাখতে আছে? তাই তো আমায় খুনটা করতে হলো, তবে তুমি চিন্তা করো না, আমায় কেউ ছুঁতেও পারবে না, তুমিই বলেছিলে মনে করে দেখো ক্রাইমসিরিজের পোকা, প্রচুর ডিটেকটিভ সিরিজ পড়ি আমি, আর তুমি তো জানো বলো ডিটেক্টিভ হতে গেলে বা এঞ্জয় করতে গেলে ক্রিমিনাল মাইণ্ডসেট থাকা ম্যাণ্ডেটরি। কাজের মাসিকে হাত করে পেরেক রাখা ছিল, সেটা পায়ে ফুটল, এবার টিটেনাস দিতে হবে তো, ফার্ম্মেসির লোক আসল, টেটভ্যাকের বদলে পটাশিয়াম ক্লোরাইড শিরায় পুশ করে দিয়ে চলে গেল, লিভস নো ট্রেস, কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট, ব্যস। বিশ্বাস করো এরকমটা করতাম না, কিন্তু না খেয়ে কি করে বাঁচব বলো, খিদে তো জৈবিক তাড়না, তাই না? এবার তুমি আমায় বেশ কিছুদিন মাথা থেকে বের করতে পারবে না, বলো? রাখলাম"

আমার বমি হয়ে গেল।
আমি কিছু বুঝতে পারছিলাম না কি হচ্ছে কিভাবে হচ্ছে। 
হ্যালুসিনেশন? 
কললগে নাম্বার নেই কোনো.. অথচ ফোনটা যখন এসেছিল আমি দেখেছিলাম কিছু নম্বর ছিল। মনে নেই ঠিক৷ 
পিজিতে আমি একা থাকি 
গা গোলাচ্ছিল মারাত্মক, শরীরে সাপ বেয়ে ওঠার মত ফিল হচ্ছিল। 
গল্পের অবতারণা যার জন্য, সৌম্যকে আনব্লক করে ফোন করলাম, সব বললাম, সে হো হো করে হেসে উঠে বল্ল, "তুই কী পাগল? আগের দিন বল্লি আমি এসব প্ল্যান করেছি দিয়ে দুম করে ব্লক করে দিলি, এখন এসব বলছিস, আমার মনে হয় তুই চরিত্রটাকে আত্মস্থ করে নিয়েছিস খুব বেশি, আর তোর তো শুধু ডাউনলোড, আপলোড তো নেই, যত রাজ্যের ডার্ক ফ্যান্টাসি পড়বি। লিখবি-টিখবি না, সো ওটাই মাথায় গেঁথে গিয়েছে৷ তার উপর, সুচন্দ্রা তোর এত প্রিয় বন্ধু, তার মৃত্যুটা ক্যাটালিস্টের মত ওই রিয়্যাকশনে পার্টিসিপেট করেছে, তুই ডাক্তার দেখা আর ভাই এটা যদি সত্যি হত তাহলে মেয়েটার সাথে তো আমার প্রেম হওয়ার কথা,আমার সাথেই কিসব ধাক্কা-টাক্কা নাকি লাগবে, চুল উড়বে, স্মরণজিতের গল্প কেস৷ সেসব না হয়ে এসব কী করে বেড়াচ্ছে ভাই আমার হবু বউ। শোন, তুই কন্সাল্ট কর কারোর সাথে, এরকম নাকি হয়, একটা জার্নালে পড়েছি আমি"। একটু হাল্কা লাগলো জানেন। ঠিকই তো, এভাবে তো ভেবে দেখিনি। একজন সাইকিয়াট্রিস্টের সাথে দেখা করলাম, বল্লাম সব, তারও প্রায় একই বক্তব্য, কিছু ওষুধ দিলেন, ঘুরে আসতে বল্লেন। সেইমত দার্জিলিং থেকে ঘুরে এলাম, তিন সাড়ে তিনমাস মারাত্মক কষ্ট হত আস্তে আস্তে ভুলছিলাম সব। ভুলছিলাম।  

হাসি পাচ্ছে বুঝলেন। পনেরো দিন হল মাসিকে দাহ করে এলাম বুঝলেন। ঠিক ওভাবেই মারা গিয়েছে, নো ট্রেস৷ সৌম্যর ফোন এসেছিল, গলা কাঁপছিল ওর, মনোরঞ্জিনীর সাথে দেখা হয়েছিল। ঠিক যেভাবে আমি বলেছিলাম বা ভেবেছিলাম। টোটো, ধাক্কা, এমনকি ড্রেসটা অব্ধি৷ আমার অবস্থাটা বুঝতে পারছেন? আই হ্যাভ ক্রিয়েটেড আ ডেমন৷ ওকে শেষ করার জন্য আমায় ওকে ভুলতে হবে আর ও আমায় ওকে ভুলতে দেবে না। শি চোজ ট্র‍্যাজেডি, দ্য স্ট্রংগেস্ট ওয়েপন৷ ভালো কাজ করে ভাবনার খোরাক দিতে পারত৷ বাট, নাঃ। শি গট মাই ব্রেইন। ট্র‍্যাজেডি সবচেয়ে বেশি ইম্প্যাক্ট ফেলে মনে, মাথায়, ভেবে দেখুন "আন্দাজ আপনা আপনা"র থেকে আপনার বেশি মনে আছে "কাল হো না হো"র লাস্ট সিন বা তারপর সেই নির্বাকে মৃত সুস্মিতা সেনকে ভালোবেসে তাকে বাঁচাতে ঋত্বিকের মারা যাওয়া। ড্রয়ার থেকে সুস্মিতার বডি বেরোচ্ছে, ঋত্বিকের বডি ঢুকছে। মুচড়ে ওঠে৷ ঝিম হয়ে থাকে ভেতরটা। তাই না? ভুলতে ও আমাকে দেবে না, প্রথমে কী ভেবেছিলাম বলুন তো, যাই করুক, আমি আর ওকে নিয়ে ভাববো না। কিন্তু সেটা কী হয়? মনের কী ঘাড় ধরা যায়?? ভাববো না ভাবাও তো একরকম করে ভাবা, আর সময় সূচের মত স্মৃতির উপর ধুলোর সুতো দিয়ে ঘা সেলাই করলে আবার ও ফিরবে নতুন ক্ষত নিয়ে। আমি পাগল হয়ে যাচ্ছিলাম। খালি গা পাক দিত, সব জড়িয়ে ধোঁয়ার কুন্ডুলি পাকাচ্ছিল মাথার ভেতর। হঠাৎ পরশুর আগের দিন দুপুরে মাথায় একটা চিড়িক করে বিদ্যুৎ ঝলক খেলে গেল বুঝলেন। আমি যা ভেবেছি, যেভাবে ভেবেছি শি ডিড এক্স্যাক্টলি দ্যাট। আমার ভাবনা যখন ওর জন্ম, ওর খাদ্য আমার ভাবনাই বিষও হতে পারে। রাইট! বিষে বিষে বিষক্ষয়। এন্টিডোট। অর্গানাইজড বলে আমার সুখ্যাতি আছে৷ ভাইরাস মারতে এন্টিবায়োটিকের কোর্স একদম প্রপারলি ফলো করতে হয়, নয়ত ইমিউনয়ড হয়ে যায়৷ মরে না৷ 

 সুচন্দ্রার সাথে আমার ফটো দেখলাম সারাদিন, চ্যাট পড়তে শুরু করলাম, মাসি নিসন্তান ছিলেন, আমার আরেক মা, মাসির সাথে বেড়ে ওঠা, ওম সবকিছুকে ভয়ের চাদর তুলে ফেলে রাগ পাততে সময় দিলাম। ভাবতে থাকলাম, ট্র‍্যাজেডি ইম্প্যাক্ট ফেলে না? কাঁটা দিয়ে কাঁটা তুলতে হয় । মনে হল, ইস এমন যদি হয়, মেয়েটার বাড়িতে অশান্তি, হাতের কাছে একটা ফাঁকা সিরিঞ্জ, আর হাতের উপর দপদপ করছে শিরা, আর শিরায় হাওয়া পুশ করলে....... 

সৌম্যর সাথে পরশু কথা হয়েছে, আমার বলা গল্প অনুযায়ী টোটোতে ধাক্কা লাগার চার-পাঁচদিনের মাথায় আবার দেখা হবে দুজনের। হয়নি। আমি জানি হবেও না৷ হওয়ার কথা নয়। 

এতদূর পড়ে ভাবছেন তো, সব ঠিক হয়ে গিয়েছে, পাখি ডাকছে, ভোর হইয়া এল, অন্ধকার ঘুচিয়া গিয়াছে, তাহলে আমি শুরুতে ওরকম আকুতি নিয়ে এলাম কেন? বলছি। আসলে খুশি হতে পারছি না৷ হঠাৎ কেমন এবর্শনের মত কষ্ট হচ্ছে আমার। ভ্রুণকে সাঁড়াশি দিয়ে ছিঁড়ে নেওয়ার মত অপরাধবোধে আমি দলা পাকিয়ে যাচ্ছি জানেন। মা-বাবারা তো চায় বলুন,তাদের সন্তান তাদের মনের মত হোক,আর আমি শুধু মনের মত বলেই খুন করে ফেল্লাম? অপত্যস্নেহ ভয়াবহ জিনিস। আমার থেকে কেউ পুষ্ট হচ্ছে, আমি নার্চার করছি কাউকে। মাতৃত্ব! শেষ করে ফেল্লাম। প্ল্যান করে, বরফের মত ঠাণ্ডা মাথায়, জাস্ট মেরে ফেল্লাম। দুদিন ধরে, জানেন, অসহ্য যন্ত্রণায় ছটফট করেছি, আর পারছি না বিশ্বাস করুন। উচিত অনুচিতের গণ্ডি পেরিয়ে গিয়েছি আমি। আমার আর কিছু ভাবার ক্ষমতা নেই, শক্তি নেই। যখন আপনারা এই লেখাটা পড়ছেন, আমি ব্লেড চালাচ্ছি শিরায়, ৪৫ ডিগ্রি এঙ্গেল বরাবর। রক্ত বেরোচ্ছে ফিনকি দিয়ে৷ তাই, শেষের আগে ছড়িয়ে দিয়ে গেলাম,ব মন দিয়ে পড়েছেন তো, শিকড় গজাচ্ছে গল্পটা মাথায়? ভাবছেন তো এই নিয়ে ভাববেন না? হ্যাঁ, হ্যাঁ, না ভাবার কথাই ভাবুন, থামাবেন না কেমন? এতগুলো মানুষের মাথা,এত থকথকে ঘিলু! আমার মেয়েটা আবার খেতে পাবে...ফিরে আসবে.. আহ্! আরাম....












website : BhutGolpo


Keywords

Horror Story

Bangla Horror Story

Bengali Horror Story

Horror Story in Bangla

Horror Story in Bengali

Bhut Golpo

Bangla Bhut Golpo

Bengali Bhut Golpo

Bhut Golpo in Bangla

Bhut Golpo in Bengali

Bhuter Golpo

Bangla Bhuter Golpo

Bengali Bhuter Golpo

Bhuter Golpo in Bangla

Bhuter Golpo in Bengali

Bhoot Golpo

Bangla Bhoot Golpo

Bengali Bhoot Golpo

Bhoot Golpo in Bangla

Bhoot Golpo in Bengali

Bhooter Golpo

Bangla Bhooter Golpo

Bengali Bhooter Golpo

Bhooter Golpo in Bangla

Bhooter Golpo in Bengali

Vut Kahini

Bangla Vut Kahini

Bengali Vut Kahini

Vut Kahini in Bangla

Vut Kahini in Bengali

ভূত গল্প

ভুতের গল্প

ভুতের কাহিনী

ভয়ানক অলৌকিক ঘটনা

পিশাচের গল্প

শাকচুন্নির গল্প

রাক্ষসের গল্প

ডাইনির গল্প

Post a Comment

0 Comments