ঐ_বাড়িটায়_যেও_না Bangla Bhuter Golpo (bhutgolpo.blogspot.com)
#ঐ_বাড়িটায়_যেও_না
--------------------------------------------------
"তাহলে ও কথাই রইলো। আগামী পরশু আপনারা বাড়িটায় উঠছেন।"
গেইটের বাইরে এসে সুমনবাবুকে বললেন শিপন দাশ।
"হ্যাঁ, পেমেন্টের বাকি অর্ধেক টাকাটা পরশু ব্যাংক খুললে আপনার একাউন্টে ট্রান্সফার করে দিবো। "
শিপন দাশ জিভ কেটে বললেন," ছিঃ ছিঃ ওসব নিয়ে এত ভাবছেন কেনো? আপনার সময় সুযোগ মতো দিয়ে দিলেই হবে। "
মৃদু হেসে বললেন সুমনবাবু," আচ্ছা বেশ। তাহলে এখন চলি। বুঝতেই তো পারছেন, অনেক কাজ বাকি। মালপত্র গোছানো, বাঁধাছাঁদা আরও কত কি..."
"সে আর বলতে, বাসা বদল করা যে কত ঝক্কি ঝামেলার কাজ তা বেশ ভালোই বুঝি। "
শিপন মশাইয়ের সাথে করমর্দন করে সামনের দিকে ফিরে কদম দুয়েক এগিয়েছেন সুমন বাবু, ঠিক তখনই কোথা থেকে যেন ভোজবাজির মতো উদয় হলো একটা পাগল। গায়ে শতচ্ছিন্ন নোংরা একটা ফতুয়া , পরনে ততোধিক নোংরা- ছেঁড়া একটা পাজামা। মুখে দাড়িগোঁফের জঙ্গল, মাথায় উস্কোখুস্কো একরাশ চুল। সুমনবাবুর একটা হাত চেপে ধরে বললো পাগলটা," ও বাড়িটায় যাস নে তুই। ওটা অভিশপ্ত, কেউ বাঁচবি না তোরা, চলে যা, চলে যা এখান থেকে। "
সুমনবাবু বেশ বিব্রত অবস্থায় পড়লেন। কোথা থেকে হঠাত করে উদয় হয়ে কি সব প্রলাপ বকতে শুরু করলো এপাগলটা। তাকে এ বিব্রতকর অবস্থা থেকে উদ্ধার করলেন শিপন মশাই। উনি কাছে পিঠেই ছিলেন। হেই হেই করে ছুটে এসে পাগলটাকে ধাওয়া দিলেন তিনি। পাগলটা ছুটতে ছুটতে হঠাত ব্রেক কষে থেমে গিয়ে পেছন ফিরে বললো, " যাস না, ও বাড়িটায় গেলে কেউ বাঁচবি না কেউ না।
তারপর একদৌড়ে রাস্তার অন্যদিকে বাঁক নিয়ে অদৃশ্য হয়ে গেলো।
"ঐ পাগলটার কথায় কিছু মনে করবেন না আপনি। "
স্মিতভাবে হেসে সুমনবাবু বললেন, " আরে না না, পাগলের কথায় কিছু মনে করবো কেন?"
কপালের চামড়া খানিকটা কুঁচকে তিনি ফের বললেন," কিন্তু পাগলটা কি যেন বাড়িটার ব্যাপারে, অভিশপ্ত... আরও কি কি যেন।"
"আরে ধুর মশাই৷ কথায় আছে না পাগলে কি না বলে আর ছাগলে কি না খায়। বাদ দিন তো। "
কিছুটা বিব্রত মনে হলো যেন শিপনবাবুকে। সেই সাথে কিছু যেন চেপে গেলেন তিনি। অন্তত তাই- ই মনে হলো সুমনবাবুর।
***
সুমনবাবু ব্যাংকের ম্যানেজার পোস্ট থেকে রিটায়ার নিয়েছেন মাসখানেক হলো। স্ত্রী - কন্যাকে নিয়ে শহরে নিজস্ব পাঁচতলা বাড়িতে থাকেন । কিন্তু শহরের কোলাহল, ধূলোবালি, জ্যাম একদম সহ্য হয় না তার। এদ্দিন চাকরির খাতিরে ছিলেন।
বাবা ছিলেন স্বনামধন্য উকিল। সেই সুবাদে ছোটবেলা থেকেই শহরে বাস করছেন তিনি।
কিন্তু অবসরের পর শহরের একঘেয়ে জীবনে হাঁপিয়ে উঠেছেন তিনি। লতিকারও একই অবস্থা, সেও চাইছে শহরের ঝক্কি ঝামেলা মুক্ত, নিরিবিলি কোন জায়গায় থাকতে। অবশ্যি নিজের গ্রামে ফিরে যাবার কোন সুযোগ নেই। কেননা, সেই কবেই তার বাবা গ্রামের বসতভিটে, জমিজিরেত সব বিক্রি করে দিয়েছিলেন, কারণ তার আর গ্রামের প্রতি কোন মোহই ছিল না। তিনি তখন দুহাতে টাকা কামাতে ব্যস্ত। পরে অবশ্য তার সবই পেয়েছেন সুমনবাবু। বাবার ব্যাংক একাউন্ট তো রীতিমতো ফুলেফেঁপে একাকার হয়ে গেছিলো।
আলীপুর থেকে মাত্র মাইলদশেক দূরে মফস্বল সুন্দরগঞ্জ এসে এ বাড়িটা কেনা। একতলা এ বাড়িটা বেশ ছিমছাম, নিরিবিলি লোকেশনে। একমাত্র মেয়ে মন্ডি একটা মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে জব করে৷ আলীপুরের বাড়িতে মন্ডিই থাকবে । একজন কেয়ারটেকার রেখে দেবেন, সেই- ই বাড়ির দেখাশোনা, , ভাড়াটেদের তদারকি, ভাড়া তোলা এসব করবে।
তারা দুজন টোনাটুনি সুন্দরগঞ্জেই থাকবেন। তবে একেবারে স্থায়ীভাবে অবশ্যই নয়। মাঝে মাঝে আলীপুরেও মেয়ের ওখানে বেড়িয়ে আসবেন। মন্ডিও ছুটিছাটা পেলে চলে আসবে এখানে।
নির্দিষ্ট দিনে মালামাল নিয়ে চলে এলেন সুমনবাবুরা। মালপত্র সব গুছাতে গোছাতে দিন পেরিয়ে সন্ধ্যাে ঘনিয়ে গেলো। এরমধ্যে শিপন বাবু একবার এসে দেখা করে গেছেন । সন্ধ্যায় চা - নাস্তাও পাঠিয়ে দিয়েছেন কাজের ছেলেকে দিয়ে। ফ্রেশ হয়ে পর বারান্দায় এসে বসলেন সুমনবাবু আর লতিকাদেবী।
দক্ষিণমুখী বারান্দায় চমৎকার মৃদু মন্দ হাওয়া খেলে যাচ্ছে৷ ট্রে থেকে একটা চায়েরকাপ তুলে নিয়ে পট থেকে চিনি ঢেলে সুমনবাবুর দিকে এগিয়ে দিলেন লতিকা দেবী।
একটা হালকা চুমুক দিয়ে বললেন সুমনবাবু," মন্ডিকে দেখছি না যে, ও গেলো কোথায়?"
নিজের কাপে চামচ নাড়তে নাড়তে লতিকাদেবী বললেন, " ও তো বাইরে গেছে একটু হাওয়া খেতে এখুনি চলে আসবে। "
"ও, আচ্ছা বাড়িটা তোমার পছন্দ হয়েছে? "
"ও মা, সে কি কথা৷ পছন্দ হবে না কেন? কি সুন্দর, খোলামেলা চারদিক, নিরিবিলি সামনে কতো খালি জায়গা... "
"না, আসলে আমি ভাবছি অন্য কথা।" চিন্তিত গলায় বললেন সুমনবাবু।
" কি ভাবছো। "
সুমনবাবু তখন দিনদুয়েক আগে এখানে এসে যে পাগলটার পাল্লায় পড়েছিলেন আর সে কি বলেছিলো তাই খুলে বললেন।
লতিকাদেবী সব শুনে হো হো করে হেসে বললেন, " শুনো উনার কথা। পাগলের কথা এত সিরিয়াসভাবে নেওয়ার কি আছে।"
"না আসলে... "
সুমনবাবুর কথা থেমে গেলো এক তীব্র আর্তচিৎকারে। চিৎকারটা আর কারও নয় , স্বয়ং মন্ডির।
"কি হলো, ওর। "
লতিকা দেবী চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়ে চকিতে, বাইরে এসে, মন্ডির চিৎকারের উৎসস্থল বাড়ির পেছন দিকে পা বাড়ালেন। পেছন পেছন সুমনবাবুও।
পেছনদিকটায়,ঝোপঝাড়ে ভর্তি থাকলেও শিপনবাবু লোক লাগিয়ে সব সাফ সুতরো করে দিয়েছেন। সেখানে গিয়ে তারা দেখেন , মন্ডি মাটিতে শুইয়ে তখনও চিৎকার করে যাচ্ছে আর উপরে সামনের দিকে হাত- পা ছুঁড়ে কাকে যেন প্রতিরোধ করার চেষ্টা করছে ৷ বাড়ির পেছন দিকে একটা কম পাওয়ারের লাইট জ্বলছিলো। তার আলোয় সুমন - লতিকা দম্পতি কাউকে দেখতো পেলো না । তবে মন্ডি এভাবে কাকে উদ্দেশ্য করে হাত পা ছুড়ছে?
লতিকা দেবী এগিয়ে গিয়ে মেয়েকে জাপটে ধরলেন। ধীরে ধীরে মন্ডি কিছুটা শান্ত হতেই তাকে বুকে জড়িয়ে রেখে ভেতরে নিয়ে এসে , ওর বেডরুমে এনে বসালেন। সুৃমনবাবু ডাইনিং থেকে এক গ্লাস জল এনে দিতেই, মন্ডি এক নিঃশ্বাসে গ্লাসটা খালি করে সাইড টেবিলে রাখলো।
সে কিছুটা ধাতস্থ হতেই লতিকা দেবী উৎকন্ঠিত স্বরে বললেন,' কি হয়েছে রে মা, অমন করছিলি কেন?"
মন্ডি তখন কেমন ঘোর লাগা গলায় বললো, " আমি তো পেছন দিকটায় গিয়ে পায়চারি করছিলাম, হঠাৎ করে মনে হলো কে যেন আমার পিঠে হাত রেখেছে। উফ! কি শীতল সেই হাত। পেছন ফিরে দেখি, এ কি! কেউ নেই। আর ঠিক তখনই কে যেন আমার উপর ঝাপিয়ে পড়লো। ঘাড়ে কেমন আঁচড়ে দিয়েছে দেখো। "
চুল সরিয়ে ঘাড়টা উন্মুক্ত করতেই সুমন দম্পতি ঝুঁকে পরে দেখলেন, আসলেই তাই, ঘাড়ে নখের আচঁড়ের দাগ স্পষ্টভাবে ফুটে রয়েছে।
"কি হতে পারে এর ব্যাখ্যা। বাড়িটায় কি সত্যিই কোন সমস্যা আছে। তবে কি ঐ পাগলটার কথাই ঠিক। বাড়িটা কি সত্যিই অভিশপ্ত? "
প্রশ্নগুলো সুমনবাবুর মাথায় ঘুরপাক খেতে লাগলো।
রাতে চুপচাপ খেয়ে উঠে পড়লো সবাই। লতিকা দেবী, মন্ডির সাথে শুতে চেয়েছিলো, তবে মন্ডিই বারণ করেছে যে তার দরকার নেই, সে একাই শুতে পারবে ।
***
রাত একটা বেজে কুড়ি।
কেমন একটা অস্বস্তিতে ঘুমটা ভেঙে গেল সুমনবাবুর। পাশ ফিরে দেখলেন লতিকাদেবী গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। বিছানায় উঠে বসতে যাবেন তিনি, তখনই নাইটল্যাম্পের মৃদু আলোয় একটা ছায়ামূর্তিকে তার সামনে দিয়ে ক্রস করে যেতে দেখলেন৷
সুমনবাবু অনুভব করলেন ঘরের টেম্পারেচার ধীরে ধীরে নেমে যাচ্ছে। এ ভাদ্র মাসের তালপাকা গরমের মধ্যেও তিনি কেমন কাঁপতে লাগলেন ঠকঠক করে।
*
কে যেন মন্ডির পা ধরে হ্যাচকা টান মেরে হিড়হিড় করে বিছানা থেকে মেঝেতে নিয়ে ফেললো।
সন্ধ্যাের ঘটনার পর থেকেই কেমন যেন ঘাবড়ে গেছিলো মন্ডি৷ এই যে এতক্ষণ এমনিই বিছানায় শুয়েছিলো সে৷ কিছুতেই দু চোখের পাতা এক করতে পারছিলো না সে। করবেই বা কেমন করে৷ প্রথম ব্যাপারটা শুরু হলো বিছানা দিয়েই। কে যেন বিছানার পায়া ধরে টানাটানি করছিলো , ঘরের ভেতর কোন অশরীরীর ফিসফাস, মাঝে মাঝে চাপা গোঙানি, সেই সাথে চাপাকান্নার ধ্বনিতে ঘরে রীতিমতো নরক নেমে এসেছিলো যেন। এদিকে প্রচন্ড ভয়ে বিছানা ছেড়ে নামার সাহস হচ্ছিল না তার। মন্ডি নিশ্চিত এ বাড়িটায় অতৃপ্ত আত্মাদের আবাস, তাদের আবাসস্থলে হঠাৎ করে উটকো ঝামেলা এসে উঠায় তারা তা সহ্য করতে পারছে না৷
এতক্ষণ মটকা মেরে , চুপচাপ মুখ বুজে ছিলো মন্ডি। কিন্তু যখন একটা শীতল হাত তাকে টেনেহিঁচড়ে বিছানা থেকে টেনে নামালো, তখন আর নিজেকে ধরে রাখতে পারলো না সে৷ গলা ফাটিয়ে চিৎকার করে উঠলো সে। মা, বাবা তোমরা কোথায়... বাঁচাও আমায়। "
ওদিকে সুমনবাবুদের অবস্থাও শোচনীয়৷ তাদের ঘরের তখন ধোঁয়াটে ধোঁয়াটে কিছু অবয়ব ঘুরপাক খাচ্ছে । আর সেই অবয়বগুলোর জ্বলন্ত লাল কয়েক জোড়া চোখের হিংস্র চাহনি নিবদ্ধ তাদের দিকে।
লতিকাদেবী, স্বামীকে জাপটে ধরে আছেন আর ঠকঠক করে কাঁপছেন। মন্ডির চিৎকার তাদের কানে যেতেই সব ভুলে বিছানা ছেড়ে নেমে দরজা দিয়ে বেরুতে যাবেন, তখনই তাদের মুখের উপর ঠাস করে বন্ধ হয়ে গেলো দরজার পাল্লা দুটো৷ ওদিকে জানলাগুলোও একবার খুলতে লাগলো আবার পরক্ষনেই প্রচন্ড শব্দ তুলে বন্ধ হতে লাগলো। সুমনবাবু দরজায় কাঁধ দিয়ে ধাক্কার পর ধাক্কা দিতে লাগলেন। এভাবে মিনিট পাঁচেক ধাক্কানোর পর খুলে গেলো দরজা। ছিটকে বেরিয়ে মন্ডির ঘরে গিয়ে যা দেখলেন তাতে মাথাটা কেমন টলে উঠলো সুমনবাবুর৷ লতিকাদেবী একটা তীব্র চিৎকার দিয়ে সাথে সাথে কেমন বেহুঁশের মতো হয়ে গেলেন৷
মন্ডির দেহটা মেঝে থেকে কয়েক ফুট উপরে ভেসে রয়েছে । তার মাথাটা কে যেন প্রবল আক্রোশে মুচড়ে দিয়েছে। মাথাটা উল্টো দিকে অর্থাৎ পিঠের দিকে ঘুরে রয়েছে।
একমাত্র মেয়ের এমন বীভৎস মর্মন্তুদ মৃত্যু চোখের সামনে প্রত্যক্ষ করে কেমন বাকরুদ্ধ হয়ে গেলেন সুমনবাবু। চোখের জলও যেন গেছে শুকিয়ে।
এ ঘরের দরজাটাও তারা ঢুকার সাথে সাথেই বন্ধ হয়ে গেছে। ঘরের নাইটল্যাম্পটা একবার জ্বলছে, একবার নিভছে৷ একসময় আলোটা স্থির হতেই চোখের সামনে একটা দৃশ্য ভেসে উঠলো সুমনবাবুর। যেন কোন সিনেমা হলে পর্দায় ফেলা প্রজেক্টরের ছবি দেখছেন তিনি৷ তবে লক্ষণীয় ব্যাপার হলো, খুব দ্রুত একের পর এক দৃশ্য ফুটে উঠেই মিলিয়ে যাচ্ছে৷
প্রথমে এ বাড়ির একটা ছবি ফুটে উঠলো, তারপর এক সুখী পরিবারের ছবি, স্বামী - স্ত্রী , তাদের দুটো ছেলে - মেয়ে, । হঠাৎ একদিন মধ্যরাতে ডাকাত পড়লো বাড়িটায়৷ মূল্যবান সব সামগ্রী লুটপাট করার পর, স্বামী আর ছেলের সামনেই স্ত্রী আর তার বছর পনেরোর মেয়েটাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করল ডাকাতরা। তাদের তীব্র আর্তনাদ আহাজারি, সুমনবাবুর কানে যেন তালা ধরিয়ে দিলো। ওদিকে লতিকাদেবীরও হুশ ফিরেছে। তিনিও কেমন ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে আছেন সামনের দিকে।
মা- মেয়েকে ধর্ষণ শেষে একে একে চারজনকেই গলাকেটে হত্যা করে পালালো ডাকাতদল।
চকিতেই চোখের সামনে থেকে মুছে গেলো সেই পর্দাটা।
ফের কাঁপতে লাগলো ডিমলাইটের আলো৷
দুই হতভাগিনীর করুণ আর্তনাদ আর এক পুরুষ কন্ঠের আহাজারির সাথে এক বাচ্চা ছেলের কান্নায় প্রকম্পিত হতে লাগলো ঘরটা।
বিছানার দিকে ফিরে সুমনবাবু দেখেন , যেখানটায় মন্ডির মৃতদেহটা ভাসছিলো, সেখানে নেই দেহটা। লতিকাদেবী, স্বামীকে জাপটে ধরে ফোপাচ্ছেন৷ এদিকে চারটে ছায়ামূর্তি ধীরে ধীরে তাদের দিকে এগিয়ে আসছে৷
বাঁচার আশা ছেড়ে দিয়েছেন সুমনবাবু৷ জানেন এ অভিশপ্ত বাড়ির অতৃপ্ত- অভিশপ্ত প্রেতাত্মাদের থেকে তাদের মুক্তি নেই৷ এখন বুঝতে পারছেন কেন সেদিন পাগলটা তাকে বারণ করেছিলো এ বাড়িটায় না যেতে । পাগলরা নাকি এসব অলৌকিক ব্যাপার- স্যাপার আগে থেকেই টের পায়। কিন্তু এখন আর এসব ভেবে কি হবে । অনেক দেরি হয়ে গেছে যে।
#সমাপ্ত
website : BhutGolpo
website link : https://bhutgolpo.blogspot.com
Keywords
Horror Story
Bangla Horror Story
Bengali Horror Story
Horror Story in Bangla
Horror Story in Bengali
Bhut Golpo
Bangla Bhut Golpo
Bengali Bhut Golpo
Bhut Golpo in Bangla
Bhut Golpo in Bengali
Bhuter Golpo
Bangla Bhuter Golpo
Bengali Bhuter Golpo
Bhuter Golpo in Bangla
Bhuter Golpo in Bengali
Bhoot Golpo
Bangla Bhoot Golpo
Bengali Bhoot Golpo
Bhoot Golpo in Bangla
Bhoot Golpo in Bengali
Bhooter Golpo
Bangla Bhooter Golpo
Bengali Bhooter Golpo
Bhooter Golpo in Bangla
Bhooter Golpo in Bengali
Vut Kahini
Bangla Vut Kahini
Bengali Vut Kahini
Vut Kahini in Bangla
Vut Kahini in Bengali
ভূত গল্প
ভুতের গল্প
ভুতের কাহিনী
ভয়ানক অলৌকিক ঘটনা
পিশাচের গল্প
শাকচুন্নির গল্প
রাক্ষসের গল্প
ডাইনির গল্প

0 Comments