রিঙ্কুবাবুর অতিথি Bangla Bhuter Golpo (bhutgolpo.blogspot.com)
গিজার্ড টা অটোকাট হবার পরে রিঙ্কুবাবু স্নান করতে বাথরুমে গেলেন। একমনে গুনগুন গান করে স্নান করছেন, এমন সময় ভেজা কাচে আঙ্গুল দিয়ে ঘষলে যে রকম আওয়াজ হয় সেরকম একটি শব্দ শুনা গেল। তাড়াতাড়ি করে মগে মগে জল ঢেলে মুখটা ফেনা মুক্ত করে আয়নায় যা দেখলেন তা তিনি কখনোই আশা করেননি। জলীয়বাষ্পে আবছা হয়ে যাও আয়নার কাচে কেউ যেন আঙ্গুল দিয়ে একটি বিশেষ নকশা একে গেছে। একটি আয়তক্ষেত্র, দুটি কর্ণও রয়েছে, উপরের বাহুটি থেকে সমান্তরালে দুটি রেখা একটি বিন্দুতে ছেদ করেছে। ছেদবিন্দুর উপরে উপরে আর কিছু নেই। স্বভাবতই রিঙ্কুবাবু এই চিহ্নের কোন মানে বুঝতে পারলেন না। তোয়ালেটা জড়িয়ে ভেজা অবস্থায় বাথরুম থেকে বেরিয়ে মোবাইলটা আননেল ছবি তুলে রাখার জন্য। কিন্তু ততক্ষণে চিহ্নটা আর নেই। রিঙ্কুবাবু একটু হতাশ হলেন। যাইহোক লাঞ্চ করে স্কুলে যাওয়ার জন্য রেডী হলেন।
রিঙ্কুবাবু, রিঙ্কু মুখার্জি পেশায় একজন স্কুল শিক্ষক, বিষয় ভূগোল। এখনকার বেশিরভাগ মাস্টারদের মত টাকার জন্য তিনি পড়ান না। স্কুলের বাইরে তার একটি টোল রয়েছে শুধুমাত্র দুস্থ ও মেধাবী ছাত্রদের জন্য (টোল ফ্রী) । পড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের বিষয়টি সম্বন্ধে অনুপ্রাণিত করেন। বিয়ে থা সংসার করেননি। সাত বছর বয়সে তার পিতৃবিয়োগ হয়েছিল, গতবছর মাতৃবিয়োগ হওয়ায় তিনি এখন সম্পূর্ণ একা। স্কুল মাস্টারের চাকরি করার সুবাদে তার কাছে কোন অঢেল ফ্রি সময়, তার সদ্ব্যবহার করেন তিনি পরিবেশ চর্চা করে। তিনি একজন শখের পরিবেশবিদ ও বটে। তাই বর্তমানে বিশ্বায়ন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, গ্রীন হাউস ইফেক্ট, বনচ্ছেদন ইত্যাদি বিষয় নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন তিনি। এসব বিষয়ে তিনি মাঝে মাঝে ব্লগ লেখেন, একবার তার ব্লগ ন্যাশনাল জিওগ্রাফিতে ছাপানো হয়েছিল।
এরকম সহজ সরল জীবনযাপন এর মাঝে রিঙ্কুবাবুকে এই চিহ্নটা একটু চিন্তায় ফেলেছিল। সে যাই হোক সে চিন্তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হলো না। ক্লাসে ঢুকে পড়ানো শুরু করতেই চিন্তা কোথায় উবে গেল। ষষ্ঠ শ্রেণির ভূগোল পড়ানোর সময় তিনি সৌরজগৎ সম্বন্ধে আলোচনা করছিলেন। এমন সময় একটি ছেলে জিজ্ঞেস করল,
-স্যার এলিয়েন কি?
বিষয়টা অন্য দিকে চলে যাচ্ছে বলে রিঙ্কুবাবুকে ব্যাপারটা একটু সংক্ষেপে সারতে চাইলেন।
- এলিয়েন মানে হল অন্য গ্রহের জীব, তা সে উন্নত হোক বা অনুন্নত ই হোক।
- স্যার আমরা এলিয়েনদের খোঁজ এখনো কেন পাইনি?
এবার রিঙ্কুবাবু একটু বিব্রত হলেন, মুখে জিজ্ঞেস করলেন
-টিফিন এনেছিস?
-না।
-টিফিনের সময় দেখা করিস। তোর সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব, এখন বললে ক্লাসে পড়ানো যাবে না।
রিঙ্কুবাবু টিচার্স রুমে বসে ছিলেন এমন সময় ছেলেটি হাজির হলো। নাম শুভম চৌধুরী, পড়াশোনায় মধ্যমানের, কিন্তু ভূগোল বিষয়টা মন থেকে খুব ভালোবাসে। রিঙ্কু হাতের ইশারায় পাশে ছোট টুলটায় তাকে বসতে বললেন। পরম স্নেহে জিজ্ঞেস করলেন
-বল তোর মনে কি কি প্রশ্ন আছে?
- স্যার আমরা এলিয়ান দের এখনো খুঁজে পাইনি কেন?
- এককথায় বলতে পারিস আমাদের বিজ্ঞান এখনো এত উন্নত হয়নি। এখনো পর্যন্ত আমরা চাঁদের বাইরে কোথাও পা রাখতে পারিনি। তাই সৌরজগতের বাইরে উন্নত সভ্যতার খোঁজ করা আমাদের পক্ষে এই মুহূর্তে অসম্ভব। কয়েকশো বছর পরে হয়তো বিজ্ঞান এতটা উন্নত হতে পারে এই মুহুর্তে তো কখনই নয়।
- তো স্যার ওরা তো আমাদের খুঁজে পেতে পারে? ওরা কেন আমাদের এখনো খুঁজে পাইনি?
এই প্রশ্নটা রিঙ্কুবাবু আশা করেননি একজন ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রের কাছে। যাইহোক আশাতিত এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি চুপ করে খানিকক্ষণ বসে থাকলেন। তারপরে বললেন,
-ওরা হয়তো আমাদের খুঁজে পেয়েছে, সম্পর্ক করার চেষ্টা ও করেছে, কিন্তু আমরা ওদের ভাষা বা সিগন্যাল বুঝতে পারিনি হয়তো। একটা কুকুরকে যদি বাংলা ভাষায় কোন কথা বলিস তারে কুকুর কি সেটা বুঝবে? এলিয়েনদের কাছে টেকনোলজির দিক দিয়ে আমরা হয়তো কুকুরেরে সমান। যাইহোক ছাড় সে কথা, আমার কাছে পাউরুটি আর রসগোল্লা আছে খাবি?
অনিচ্ছাসত্ত্বেও শুভম পাউরুটি আর রসগোল্লা খেয়ে ক্লাসে চলে গেল। রাত্রে খাওয়া দাওয়ার পরে রিঙ্কুবাবু শুয়ে শুয়ে ভাবছিলেন শুভমের প্রশ্নগুলোর কথা। 1977 সালে এরকম একটি সিগনাল এসেছিল, আমাদের বিজ্ঞানী মহল তার মাথামুণ্ডু কিছুই বুঝতে পারেনি। সেই সব কিছু হয়ত ইন্টারনেটে দেখেছে শুভম, তাই এইসব প্রশ্ন করছিল। ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে পড়লেন।
পরের দিন সকালে টেবিলে বসে একটি ম্যাগাজিন পড়ছিলেন, হঠাৎ করে তার একটি পাতাতে দেখলেন গতকালের বাথরুমের সেই জ্যামিতিক আকারটি যেন কেউ একে দিয়ে গেছে। অদ্ভুত এই জ্যামিতিক চিহ্ন টার দিকে অনেকক্ষণ ধরে তাকিয়ে থাকলেন, কিন্তু কোন মানে বুঝতে পারলেন না। বড়ই অদ্ভুত ব্যাপার।
এর পরে প্রায় একদিন দুদিন ছাড়া অন্য কোথাও না কোথাও এই চিহ্নটা দেখতে লাগলেন। কখনো গোলাপের টবের গায়ে খোলামকুচি দিয়ে আঁকা, কখনো ফাঁকা ক্লাসের ব্ল্যাকবোর্ডে, কখনো আবার তার লেখার ডাইরিটার লাস্টের পাতায়। জ্যামিতিক চিহ্ন টি একরকম যেন তার পিছনেই পড়ে গেল।
আজ রোববার স্কুল ছুটি, গত রাতে প্রচন্ড ঝড় বৃষ্টি হওয়ার জন্য লোডশেডিং হয়ে রয়েছে এখনো। টিভি মোবাইল ইত্যাদি থেকে কিছুক্ষন দূরে থাকার পরে রিঙ্কুবাবুর হঠাৎ মনে হল একটু রেডিও শুনলে কেমন হয়। যেমন ভাবা তেমন কাজ। বাক্স থেকে পুরানো রেডিও টা বার করে ব্যাটারি লাগালেন। চালু করতেই পুরানো গানের সুরে মনটা ভরে গেল।
নজর কে সামনে... জিগর কে পাস....
গান শুনতে শুনতে রিঙ্কুবাবু আরাম কেদারায় বসে ছিলেন, এমন সময় গানটা মাঝরাস্তায় থেমে গেল। রেডিওতে শুধুমাত্র নয়েজ শোনা যাচ্ছিল। রিঙ্কুবাবু রেডিওটাকে হাতে নিয়ে একটু সেন্টার টা চেঞ্জ করতে যাবেন এমন সময়, রেডিওর মধ্যে থেকে খসখসে গলায় শোনা গেল।,
-রিঙ্কুবাবু শুনছেন? নিজের রেডিও রিসিভার টা খুলুন আমার সাথে অনেক কথা আছে।
রিঙ্কুবাবু যেন আকাশ থেকে পড়লেন, রেডির মধ্যে থেকে কেউ তার সাথে সম্পর্ক করার চেষ্টা করছে। কাঁপা কাঁপা হাতে রেডিওটার টেবিলের উপরে রেখে দিলেন। গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে, ঢকঢক করে গ্লাসে রাখা জলটা অর্ধেকটা খেয়েছেন এমন সময় রেডিও থেকে আবার আওয়াজ এলো,
-রিঙ্কুবাবু শুনছেন?
কাঁপা কাঁপা গলায় রিঙ্কুবাবু উত্তর দিলেন
-শু শু শুনছি। কে কে বলছেন?
-এত কথা এভাবে বললে অনেক সময় লাগবে আপনার রেডিও রিসিভারটা অন করুন। সব কথা সেখানে পাঠিয়ে দিচ্ছি।
- কিন্তু রেডিওতে অন ই রয়েছে।
-অন ই রয়েছে তো সম্পর্ক করতে পারছিনা কেন? খসখসে গলায় স্পষ্ট বিরক্তির ছাপ। আমি বলছি অন নেই ভালো করে চেক করে অন করুন।
-দেখুন রেডিও অন আছে বলেই আপনার কথা শুনতে পাচ্ছি এখান। তাও আপনি বারবার অন করতে বলছেন কি অন করব একটু খোলসা করে বলুন। রিঙ্কুবাবু এতক্ষনে একটু ধাতস্থ হয়েছেন।
-আপনার মাথার রেডিওটার কথা বলছি, সেটা অফ রয়েছে।
- মাথার রেডিও মানে মাথায় আবার রেডিও থাকে নাকি? রিঙ্কুবাবু অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন।
- হা থাকে, অনেক কিছু থাকে। আছা এটা ২০২১ সাল তো?
- হা কেন?
- ২০২১ এ তো মানুষ এ এসব জেনে গিয়েছিল, আপনি বোধহয় জানেন না, তা কত % ব্রেন ব্যাবহার করেন?
এরকম প্রশ্ন রিঙ্কুবাবু আগে কোনদিন শুনেন নি, আর এর কোন উত্তরও জানা নেই তার কাছে। তুই চুপ করে থাকাটাই শ্রেয় মনে করলেন। একটু পরে নিঃস্তব্ধতা ভেঙ্গে রেডিওটা বলে উঠলো,
আমি ভবিষ্যৎ থেকে পাঠানো একজন বার্তাবাহক, আমার নাম কীর্তি, আমি সুদুর LMC গ্যালাক্সি থেকে এসেছি। আমাকে যে বিজ্ঞানী পাঠিয়েছেন তার নাম নমিক১০১০। আমরা আপনাদেরই উত্তরসূরী। আমি এসেছি ১০৪৫৬ সাল থেকে। আপনার জন্য একটি বার্তা আছে। আগামি ২০৪০ সালে সারাবিশ্বে ফসিল ফুয়েল কে অবৈধ ঘোষণা করে একটি নিয়ম লাগু হবে, সেই নিয়মে ভারত বাধাদেবে আর তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হবে। এই যুদ্ধ হবে পারমানবিক, যার ফলে সারা পৃথিবীতে মানব বসবাসের মত আবহাওয়া আর থাকবে না। আজ আপনি একজন স্কুল শিক্ষক, কিন্তু ২০৩০ সালের থেকে আপনি কেন্দ্রের পরিবেশ মন্ত্রী হিসাবে পদগ্রহন করবেন। ভারতের দায়িত্বভার আপনাকেই নিতে হবে, লোকসভাতে সবাইকে বোঝানোর মত শক্ত কাজ করতে হবে। প্রস্তুত হোন। এটাই আমার বার্তা। এবার আপনার কিছু জিজ্ঞাস্য থাকলে জিজ্ঞেস করতে পারেন। রিঙ্কুবাবুর মনে হাজার আলোর প্রশ্ন উঁকি মারছিল, তিনি কোন রকমে নিজেকে গুছিয়ে নিয়ে প্রশ্ন করা শুরু করলেন।
-আচ্ছা আপনি কি মানুষ?
- মানুষ হলে তো আপনার সামনে আসতাম আপনি আমাকে দেখতে পেতেন ছুতে পারতেন, তাই এখন পড়ছে না তোমার আন্দাজ করে নিন জমি মানুষ নই। আমি আসলে একটা শক্তি যাকে এখন আপনারা আত্মা বা ভুতে বলেন। তবে ভয় পাওয়ার কিছু নাই আমি আপনার কোন ক্ষতি সাধন করবো না। ২১০০ সালের পর থেকে মানুষ আত্মাকে কন্ট্রোল করতে শিখেছে। আত্মা হলো একটি শক্তি তাকে যেখানে খুশি আলোর বেগে ট্রান্সফার করা যায়। আপনারা এখন কুসংস্কার মেনে আমাদের ভয় পান তাই না।
- আপনিতো সময় যাত্রা করে এখানে এসেছেন সেই বিজ্ঞানী নিজে এলেন না কেন?
- আমরা যে টাইম মেশিন বানিয়েছি সেটা চালাতে হলে অনেক বেশি শক্তির প্রয়োজন। মোটামুটি সূর্যের মতো একটা তারার শক্তি হলে ওটা চালানো হয়। আসলে একটা স্টেবল ওয়ার্মহোল বানানো যাকে বলে। আপনাদের কাছাকাছি সূর্য ছাড়া আর এরকম কোন তারা নেই, যে আছে সে চার আলোকবর্ষ দূরে। তাই বাদামি বামন বৃহস্পতি গ্রহ থেকে শক্তি নিয়ে একটি অস্থায়ী ওয়ার্মহোল বানাতে সক্ষম হয়েছি আমরা। আর সেটা দিয়েই আমি এসেছি আপনার কাছে। অস্থায়ী ওয়ার্মহোলের সমস্যা জানেন? তার মধ্যে দিয়ে কোন পদার্থকে টান্সফার করা যায় না। করলেই তা লক্ষ-কোটি অণুতে বিভক্ত হয়ে দিয়ে deatomized হয়ে বিলীন হয়ে যায়। তাই আমাকে আসতে হয়েছে। আমার শরীরের কোন অণু নেই সুধু শক্তি।
- আচ্ছা আমাকে ওই জ্যামিতিক চিহ্ন টা কি আপনি বারবার দেখাচ্ছিলেন?
- হো হো করে হাসির শব্দ এলো রেডিও থেকে। আরে বোকা ওটা জ্যামিতিক চিহ্ন নয়, ওটা হলো মেসেজ। আপনাদের মোবাইল ট্যাবলেট ল্যাপটপের মেসেজ এর লোগোটা ওই রকমই হয়। আমি ওটা দিয়েছিলাম আপনার মস্তিষ্কের সাথে সরাসরি সম্পর্ক করতে না পেরে। কিন্তু আপনি ওটা বুঝতে পারেন নি। বার বার অলক্ষ করে গেছেন।
-আমি তো কখনো আপনাকে দেখিনি অথচ আপনি সব জায়গায় গিয়ে ওই চিহ্নটা এঁকেছেন এটা কি করে করলেন?
- আরে ভাই আমি অন্য ডাইমেনশনে থাকি। তোমাদের কাছে কোথাও যাওয়ার জন্য যতগুলো রাস্তার কাছে তার থেকে আরো অনেক বেশি রাস্তা আছে আমার কাছে। এই জন্য তো দরজা বন্ধ করে আত্মাকে আটকানো যায় না।
রিঙ্কুবাবু মাথা চুলকাতে লাগলেন, তিনি কিছুই বোঝেন নি। তার একান্ত অনুরোধে কৃত্তিররাত্মা আরেকটু এক্সপ্লেইন করল।
- two-dimensional জিনিস জানেন? ধরুন একটা কাগজের উপর একটা বৃত্ত আকলাম আর বৃত্তের মাঝে একটা বিন্দু। আর বৃত্তের বাইরে একটা লোক আকলাম। এবার বলুন ওই লোকের পক্ষে কি সম্ভব বৃত্তটাকে কোনরকম ড্যামেজ না করে বিন্দুটির কাছে পৌঁছানো? এবার ভাবুন লোকটা কাগজের উপর আঁকা নয় লোকটা আপনি, আপনিতো আরামসে উপর থেকে হাত দিয়ে বৃক্ষের কেন্দ্রটি স্পর্শ করতে পারেন, বৃত্তের পরিধি আপনার রাস্তায় আসবে না। কেননা আপনি three-dimensional জিনিস। এই ক্ষেত্রে ব্যাপারটা অনেকটা সেইরকম। আপনি নিজের মত চার দেওয়ালের মধ্যে বসে রয়েছেন ভাবছেন আপনি সুরক্ষিত, কিন্তু আমাদের কাছে আপনি উন্মুক্ত। আমি আপনার হার্ট কিডনি স্টমাক লিভার সব দেখতে পাচ্ছি, আমি ইচ্ছা করলে সেগুলো ছুয়ে দেখতে পারি আপনার স্কিন কিংবা আপনি কখনই আমার রাস্তায় আসবেন না।
রিঙ্কুবাবু একটি ঢোক গিলে বললেন এবার সব বুঝেছি। আরও দু'টি প্রশ্ন রয়েছে...
কৃত্তির আত্মা মাঝপথে থামিয়ে বলল আজ আর নয়। ওয়ার্মহোল বন্ধ হতে চলেছে, এখন আমার 50 মিনিট লাগবে ওর কাছে যেতে। চললাম এখন একদমই সময় নেই কথাগুলো মনে রাখবেন। বিদায়।
রেডিওটা আবার আগের মত গান গাইতে লাগল
আচ্ছা চলতাহু, দুয়াওমে ইহাদ রখনা....
আচ্ছা রিঙ্কুবাবুর ওই বাকি দুটো প্রশ্ন কি ছিল??
কেমন লাগল অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।
website : BhutGolpo
website link : https://bhutgolpo.blogspot.com
Keywords
Horror Story
Bangla Horror Story
Bengali Horror Story
Horror Story in Bangla
Horror Story in Bengali
Bhut Golpo
Bangla Bhut Golpo
Bengali Bhut Golpo
Bhut Golpo in Bangla
Bhut Golpo in Bengali
Bhuter Golpo
Bangla Bhuter Golpo
Bengali Bhuter Golpo
Bhuter Golpo in Bangla
Bhuter Golpo in Bengali
Bhoot Golpo
Bangla Bhoot Golpo
Bengali Bhoot Golpo
Bhoot Golpo in Bangla
Bhoot Golpo in Bengali
Bhooter Golpo
Bangla Bhooter Golpo
Bengali Bhooter Golpo
Bhooter Golpo in Bangla
Bhooter Golpo in Bengali
Vut Kahini
Bangla Vut Kahini
Bengali Vut Kahini
Vut Kahini in Bangla
Vut Kahini in Bengali
ভূত গল্প
ভুতের গল্প
ভুতের কাহিনী
ভয়ানক অলৌকিক ঘটনা
পিশাচের গল্প
শাকচুন্নির গল্প
রাক্ষসের গল্প
ডাইনির গল্প

0 Comments